কক্সবাজারের এন আলম এলপিজি গ্যাস পাম্পে ২ দফা আগুন, অগ্নিদ্ধগ্ধ - ১০ - NCB News24
ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • আজকের সর্বশেষ সবখবর

    কক্সবাজারের এন আলম এলপিজি গ্যাস পাম্পে ২ দফা আগুন, অগ্নিদ্ধগ্ধ – ১০

    কক্সবাজার প্রতিনিধি
    ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ ১:৫৪ পূর্বাহ্ণ
    ছবি সংগ্রহীত


    কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকায় এন আলম এলপিজি গ্যাস পাম্প উদ্বোধনের এক দিন পর ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে ১০ জন অগ্নিদ্ধগ্ধ হয়েছে হয়েছেন। যার মধ্যে ৬ জনকে আশংকাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণের তথ্য জানিয়েছেন কক্সবাজার সদর হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক।

     

    1. বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯ টা ও সাড়ে ১০ টায় এ ঘটনা ঘটে। চার ঘন্টা পার হয়ে গেলেও এখনোও আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে নাই।

     

    কক্সবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছমি উদ্দিন আগুনের তথ্যটি নিশ্চিত করলেও বিস্তারিত কিছু বলেননি।

     

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত সাড়ে ৯ টায় এন আলম এলফিজি গ্যাস পাম্পে প্রথম দফায় আগুনের সূত্রপাত হয়। আধা ঘন্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসলেও সাড়ে ১০ টার দিকে গ্যাস পাম্প হঠাৎ বিস্ফোরণ হয় এতে আশে পাশে আগুনে লেগে যায়। মুহূর্ত আগুন ভয়াবহ রূপ নেয়। বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়ে কয়েক কিলোমিটার এলাকায়। অপরদিকের অগ্নিকান্ডস্থলে উৎসুক জনতার ভিড় ঠেকাতে চেষ্টা করছে সেনাবাহিনী। বন্ধ করে দেয়া হয়েছে যান চলাচল।

     

    এর আগে সন্ধ্যায় এই গ্যাস পাম্পে হঠাৎ গ্যাস লিক হলে বিষয়টি ফায়ার সার্ভিসে জানানো হয়। এরপর প্রশাসন থেকে মাইকিং করে ঘটনাস্থল থেকে সরে যেতে এবং আগুন না ধরাতে বলা হয়।

     

    সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পাম্পে থাকা গ্যাস শহরের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে, যা জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। পাম্প সংলগ্ন আশপাশের এলাকার কয়েকটি বসতিও আগুনে পুড়ে গেছে। ঘটনার পরপরই পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। নিরাপত্তা নিশ্চিত ও উৎসুক জনতার ভিড় এড়াতে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে কাজ করছে।

     

    ফায়ার সার্ভিস ৪ টি ইউনিট ও সেনাবাহিনীর ২টি ওয়াটার ব্রাউজারসহ ২টি টিম রাত সাড়ে ১২ টায় আগুন নিয়ন্ত্রণ আনলেও এখনও এলাকা জুড়ে আতংকা বিরাজ করছে।

     

    তবে এ বিষয়ে এখনও ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত অগ্নিদগ্ধসহ অন্তত ৯ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।